Translate

Showing posts with label Short Love Story. Show all posts
Showing posts with label Short Love Story. Show all posts

Thursday, 23 April 2020

Love Story | Back to Ex Lover | বাংলা ভালোবাসার গল্প | School life Relationship

Back to Ex Lover 

ভালোবাসার গল্পঃ- 

মেয়েটার নাম ছিল টুম্পা...
আমি তখন দশম শ্রেনীতে পড়ি ...
ওর সাথে আমার নবম শ্রেনি থেকেই কথা হতো..
আর দশম শ্রেনিতে উঠে আমাদের মধ্যে খুব ভালো সম্পর্ক তৈরি হয়...
কোন কারনে আমার মন খারাপ হলে বা বাড়ি থেকে বকা ঝকা করলে একমাত্র ওই ছিলো যাকে আমি সবার আগে আমার পাশে পেতাম..
সুখে দুঃখে ও আমার পাশে থাকত...
স্কুলে সব সময় ও আমাকে আর আমি ওকে সময় দিতাম...
ট্রিফিন পিরিয়ডে আমরা আরো কাছাকাছি বসে হাতে ধরা ধরি করে কথা বলতাম গল্প করতাম...
এক সময় আমি ওকে প্রপোজ করলাম...
প্রপোজ কারার পর অবশ্য আমি একটু ভয়ে ছিলাম..
তার পর ও সাথে সাথে রাজি হয়ে গেল..
তখন আমরা দুই জনই খুব Excited ছিলাম...
আমাদের মধ্যে সম্পর্কটা আরও অনেক গভীর হয়ে যায়...
বাড়িতে যতক্ষন পর্যন্ত থাকতাম বেশিরভাগ সময়ই এস  এম এস করতাম আর স্কুল বন্ধ থাকলে বিকাল বেলায় টুম্পাদের বাড়ির দিকে ঘুরতে যেতাম...
আর দেখা করতাম..
একবার টুম্টা আমার এক বন্ধু তন্ময়ের সাথে কথা বলতে না করে আর বলে তোমার ওই বন্ধুর সাথে কোন যোগাযোগ রাখবা না...আর ওর সাথে মিশবানা...
আমি বললাম কেন কি হইছে,ওকি খারাপ কিছু বলছে তুমাকে,বল আমাকে...
টুম্পা বললো না ও আমাকে কিছুই বলে নাই...
ওকে আমার ভালো লাগেনা...
শুধু টুম্পার কথায় আমি আমার বন্ধু তন্ময়ের সাথে কথা বলা ও সকল যোগাযোগ বন্ধ করে দেই...
এই ভাবে কেটে যায় এস এস সি পরিক্ষা পর্যন্ত.........
পরে আমি বোঝতে পারি তনময় সিগারেট খাইতো তাই টুম্পা তন্ময়ের সাথে আমাকে মিশতে না করেছিলো...
এস এস সি পরিক্ষার পর কিছু দিন সব কিছু স্বাভাবিকই থাকে.. কিছুদিন পর থেকে আর আগের মতো এস এম এস দিতনা আমি এস এম এস দিলেও ঠিক মতো উত্তর দিতনা...
টুম্পা বলতো বাড়ি থেকে মোবাইল ব্যবহার করতে দিবেনা..
আর ওর জন্য ছেলে দেখতেছে...
একদিন এস এম এস এ বলতেছে বাড়ি থেকে ওর বিয়ে ঠিক করেছে...

আর ১ সপ্তাহ পরে বিয়ে...
আমার করার কিছুই ছিলনা...
আমি কোনো কিছু না ভেবেই পালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেই...
আমি ওকে বলি চলো টুম্পা আমরা পালিয়ে যাই...
আমি তোমাকে ছাড়া থাকতে পারব না...
টুম্পা বলল আমি আমার পরিবার কে কষ্ট দিয়ে তোমার সাথে পালিয়ে যেতে পারবোনা...
আমাকে মাফ করে দাও...
আমি দিশেহারা হয়ে যাই...
শুধু কান্না করা ছাড়া আমার আর কিছু করার ছিলোনা...
টুম্পার বিয়ের আর দুইদিন বাকি মনে হচ্ছে টুম্পার বিয়ের দিনের সাথে সাথে আমার মৃত্যুর দিনও ঘনিয়ে আসছে...
বিয়ের দিন বিকাল বেলা অচেনা একটা নম্বর থেকে ফোন আসে আমার ফোনে...
ফোনটা রিসিভ করে হ্যালো বলতেই ফোনের ওপাশ থেকে টুম্পা কান্না যুক্ত কন্ঠে বলতেছে...বাবু খাইছ..
আমি উত্তরে বলি না খাইনাই...
টুম্পা বলে বাবু  খেয়ে নাও...
এতো ভেঙ্গেপরোনা প্লিজ...
আমার কিছু করার নাই,আমি পরিস্থিতির স্বীকার...
পারলে আমাকে মাফ করে দিও..
তোমার জন্য দোআ করি...
আমার চাইতে অনেক সুন্দর আর লক্ষী একটা বউ পাবা তুমি..
ভালো থাকো.......
এই গল্পটা আমার খুব কাছের একজন বন্ধুর জীবনে ঘটে গেছে..

Sunday, 15 March 2020

Short Love Story || অসমাপ্ত ভালোবাসা || বাংলা ছোট গল্প || Bangla Love Story

অসমাপ্ত ভালোবাসা

আমাদের গল্পটা শুরু হয় খুব অদ্ভুত ভাবেই। সেদিন বিকেলে আমি টিউশনির থেকে যাচ্ছিলাম। আর হঠাৎ একটা বল এসে আমার মাথায় পড়ে। চোখ খুলেই দেখি একজন দৌড়ে আসছে আমার দিকে আর হাত জোর করে ক্ষমা চাইলো। তখন সে বসে আমার মাথায় বরফ লাগিয়ে দেয়। সেদিনের ঘটনাটির পর প্রায়ই আমাদের চোখে চোখে ভাব আদান-প্রদান হয়।
আস্তে আস্তে দুজনের মনে ভালো লাগা শুরু হলো। একদিন সে সাহস করে বলেই দিলো আমাকে তার ভালোলাগে।  আমারও তাকে অনেক ভালো লাগতো। তাই মোবাইল নাম্বার চাওয়াতে দিয়ে দিলাম। এরপর কথা হতে লাগলো দুজনের। SMS করা হতো নিয়মি,  মাঝে মাঝে দেখা করা বা ঘুরাঘুরিও হতে লাগলো।
এভাবে দুই বছর অতিবাহিত হয়ে গেল। আর এই সম্পর্কের কথা আমার মা ও তার পরিবার  জানতো।
তারপর তার চাকরি হলো আর আমার বাসায় বিয়ের প্রস্তাব পাঠালো।  আমার বাসা থেকেও মেনে নিয়েছে, খুব একটা সমস্যা হয় নি।
 মা-বাবার এক মাত্র মেয়ে হওয়ায় সবকিছু না চাইতে পাওয়া হতো। তাই আমার মতামতের গুরুত্ব ছিলো যথেষ্ট।  তাছাড়া সম্পর্কটি হওয়ার আগে স্বভাবতই আমি গোমরা মুখো ছিলাম, কারো সাথে সহজে মিশতাম না। তার সাথে সম্পর্ক হওয়ার পর আমার মাঝে অনেকটা পরিবর্তন লক্ষ্য করলো মা বাবা। আগের থেকে অনেক হাসি খুশি থাকতে পছন্দ করি, সবার সাথে মিশে হৈ চৈ করি রীতিমতো।  আর তাই  মা বাবা ও অনেক খুশি ছিলেন।
যাইহোক মূল কথায় আসি,
যখন বিয়ের কথা পাকাপোক্ত হলো নিজেকে খুব ভাগ্যবতী ভাবছিলাম।  মনে হলো সব সুখ আমি একা হাতের মুঠোয় করে রেখেছি।  আর তার মধ্যে চলে আসলো বিয়ের দিন। সকাল থেকে সে আমাকে অনেক SMS করতেছিলো আর Countdown করতে লাগলো কখন আমাকে দেখতে পাবে বউয়ের সাজে  খুব কাছে থেকে। 
               
আমিও বউয়ের সাজে তৈরী আর সেও আমাকে জানালো তারা বের হচ্ছে বাসা থেকে। আর একটু পর আমি এসে পৌঁছে যাবো। তোমাকে সারাজীবনের জন্য আপন করে নিবো। 
আমি খুব লজ্জা পেয়ে রেখে দিলাম আর উত্তরটা দেওয়া হয়ে উঠলো না। আমি তৈরী হয়ে বসে আছি, সব আত্মীয় স্বজনরাও এসে গেল। বর যাত্রীও প্রায়ই চলে আসছে শুধু সে আসছে না এখনো। এমন সময় তার বাবার মোবাইলে কল আসলো তাদের গাড়ি নাকি এক্সিডেন্ট হইছে। তারা তিনজন গাড়িতে ছিল সবার খুব খারাপ অবস্থা। কথাটা শুনে পায়ের নিচে থেকে যেন মাটি সরে গেল। হতভম্ব হয়ে কনের সাজে দাঁড়িয়ে আছি। চারপাশে কি হচ্ছে, কে কি বলতেছে কিছুই কানে আসছে না যেন।  

বাবা আমার মাথায় হাত রেখে বলল মা তুই যাবি..?? বাবার স্পর্শ পেয়ে যেন সব শুনতে পাচ্ছি।  

এরপর ছুটে গেলাম তার কাছে। তার পাশে গিয়ে বসলাম হসপিটালের বেড়ে। আমি তার মাথায় হাত দিয়ে বললাম আরে এইটা সামান্য একটু ছোঁট 'ই' না, কিচ্ছু হবে না তোমার৷ ভালো হয়ে যাবা তুমি। কিন্তু আমি জানতাম না যে তার শেষ নিশ্বাস টা শুধু আমাকে দেখার জন্য আটকে ছিলো। 
আমার দিকে তাকিয়ে রইলো ভালোবাসার চাহনিতে। মৃদু হেসে বলল আজ তোমায় অনেক বেশি সুন্দর লাগতেছে কিন্তু ভাগ্যের কি নির্মম পরিহাস দেখো তোমার এই সৌন্দর্যটা আর বেশিক্ষণ দেখার সুযোগ হয়তো হবে না আমার। চোখের পানি চেরে দিয়ে আমার হাতটা শক্ত করে ধরলো। আর বললো এই হাত কখনো
   ছেড়ে দেওয়ার জন্য ধরিনি,  আমাকে ক্ষমা করে দিও হাতটা শক্ত করে ধরার শক্তিটা আমার মধ্যে আর বেশিক্ষণ নেই আমি জানি।  তোমার জন্য খুব কষ্ট হচ্ছে আমার, আমাকে ছাড়া তুমি অনেক একা হয়ে যাবে। শেষ কয়েকটি মাস তুমি আমাকে ছাড়া একটা মুহূর্তও কল্পনা করতে পারোনি।  
আমি বললাম এভাবে বলো না তোমার কিছুই হবে না।  ডাক্তার বললেন তুমি  খুব তারাতারি ভালো হয়ে যাবে। এই কথা বলার পর একটু মুচকি হেসে আমার মুখে হাত দিয়ে আলতো করে স্পর্শ করে চোখের পাতা গুলো নামিয়ে ফেলল । হাতটা আমি ধরে আছি, ক্রমশ ঠান্ডা হতে লাগলো।  সে চিরতরে চলে গেল আমি সেটা নিজেকে বিশ্বাস করাতে পাচ্ছি না। চুপ করে শুধু তার মুখের দিকে তাকিয়ে রইলাম। 🤐🤐 

        (অসমাপ্ত.....)                                                         


Lockdown time Daily Routine | Alone life | West Bengal

Daily Routine | Lockdown Time  West Bengal | Alone Life      #Lockdown_Time #Daily_Routine  #Alone_life লকডাউনে আমার যেভাবে সারা...